ন্যাভিগেশন মেনু

মুম্বই-দুবাইয়ের চেয়ে ব্যয়বহুল শহর ঢাকা


বিশ্বের অনেক নামি-দামী শহরকে টপকে ব্যয়বহুলের তালিকায় উপরে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানীশহর ঢাকা।  এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের বিখ্যাত মুম্বই শহরে থাকতে গেলেও বিদেশি কর্মজীবীদের ঢাকার চেয়ে খরচ কম হয়।

ঢাকার ব্যয়বহুলের পিছনে রয়েছে- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইও। ধনীদেশের চেয়ে প্রবাসীদের জন্য ব্যয়বহুল শহর ঢাকা।

 সম্প্রতি প্রবাসীদের জীবনযাত্রার খরচের ওপর মার্কারের করা জরিপে এ তথ্য উঠে আসে।মার্কার তাদের তালিকায় ২০৯ শহর অন্তর্ভুক্ত করেছে। হাউজিং, পরিবহন, খাদ্য ও বিনোদন খরচের ওপর ভিত্তি করে চালানো হয় জরিপ। জরিপের বেসলাইন ছিল নিউইয়র্ক শহর।

২০২১ সালে মার্কারের  তালিকায় দেখা যায়- ঢাকার অবস্থান ৪০ নম্বরে। যদিও ২০২০ সালে ঢাকার অবস্থান ছিল ২৬।বিদেশি কর্মজীবীদের জন্য ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ৪০তম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। গত বছরের ঢাকার অবস্থান ছিল ২৬ নম্বরে।

অর্থাৎ এই এক বছরের ব্যবধানে ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে ১৪ ধাপ। সেই হিসাবে অবশ্য গতবারের তুলনায় বর্তমানে ঢাকায় জীবনযাত্রার খরচ কিছুটা কমেছে। গতকাল মঙ্গলবার নিউইয়র্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মার্সার চলতি বছরের ‘কস্ট অব লিভিং’ জরিপের ফলাফলে এ তথ্য উঠে এসেছে। থাকা-খাওয়া ও যাতায়াতের খরচ বিবেচনায় নিয়ে ব্যয়বহুল শহরের বার্ষিক এ তালিকা করেছে মার্সার।

‘কস্ট অব লিভিং’ এর জরিপে বলা হয়েছে- বিদেশি কর্মজীবীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির চেয়ে ঢাকায় জীবনযাপনে বেশি ব্যয় হয়। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের অবস্থান ৫১ নম্বরে। এ জরিপে বলা হয়েছে, বিদেশি কর্মজীবীদের জন্য সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদ।

আর সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল শহর কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেক। গতকালের প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, এবারের তালিকায় এক ধাপ এগিয়ে শীর্ষে উঠেছে আশখাবাদ। শীর্ষ অবস্থান হারিয়ে ২ নম্বরে চলে গেছে হংকং। আর ৪২ ধাপ এগিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুত।

অধিক ব্যয়বহুল ১০টি শহরের তালিকায় বাকি নামগুলো যথাক্রমে- জাপানের টোকিও, সুইজারল্যান্ডের জুরিখ, চিনের সাংহাই, সিঙ্গাপুর সিটি, সুইজারল্যান্ডের জেনেভা, চিনের বেইজিং ও সুইজারল্যান্ডের বের্ন। অন্যদিকে কম ব্যয়বহুল শহরগুলোর মধ্যে বিশকেকের পরেই রয়েছে যথাক্রমে জাম্বিয়ার লুসাকা, জর্জিয়ার তিবলিস, তিউনিসিয়ার তিউনিস ও ব্রাজিলের ব্রাসিলিয়ার নাম।

তালিকা অনুযায়ী বিদেশি কর্মজীবীদের জীবনযাপনে ঢাকার চেয়েও কম ব্যয় হয় দুবাইয়ে। শহরটির অবস্থান ঢাকার চেয়ে দুই ধাপ পরে, ৪২ নম্বরে। ঢাকার চেয়ে কম ব্যয়ের শহরের মধ্যে রয়েছে- ব্যাংকক (৪৬তম), ওয়াশিংটন ডিসি (৫১তম), মিউনিখ (৫২তম), মেলবোর্ন (৫৯তম), বার্লিন (৬০তম), মস্কো (৬২তম), স্টকহোম (৭২তম), মুম্বাই (৭৮তম), জেদ্দা (৯৪তম), দিল্লি (১১৭তম), দোহা (১৩০তম), কুয়ালালামপুর (১৫২তম), বেঙ্গালুরু (১৭০তম), ইস্তাম্বুল (১৭৩তম), কলকাতা (১৮১তম), কলম্বো (১৮৫তম), ইসলামাবাদ (১৯৯তম) ও করাচি (২০১তম)।

এস এস