ন্যাভিগেশন মেনু

জাতিসংঘ মহাসচিবকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ


জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেসকে মুজিববর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকের সময় তাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এই বৈঠকে আলোচনাকালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতিসংঘ মহাসচিব উভয়েই সম্মত হন যে, করোনার ভ্যাকসিনকে ‘বৈশ্বিক সম্পদ’ হিসেবে বিবেচিত করা উচিত।

বৈঠকে করোনা অতিমারি কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ও আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ গৃহীত ব্যাপকভিত্তিক পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করে জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, কোনো ঝুঁকি নিরসনের বৈশ্বিক নেতৃত্বে বাংলাদেশ সর্বদাই শীর্ষস্থানীয়, তাই করোনা অতিমারি মোকাবেলায় বাংলাদেশের এ ধরনের সাফল্য দেখে আমি মোটেও অবাক হইনি।

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয়দানে বাংলাদেশ যে উদারতা দেখিয়েছে তার প্রশংসা করে বলেন, আমাদের লক্ষ্য অভিন্ন, আর তা হলো রোহিঙ্গাদের মায়ানমারে ফেরত পাঠানো। এ সমস্যাটির সমাধানে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে জাতিসংঘ সদা প্রস্তুত রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসচিবকে ভাসানচরে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপগুলি সম্পর্কে অবহিত করেন এবং রোহিঙ্গাদের জন্য জাতিসংঘের সহায়তার অনুরোধ করেন।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু অর্থায়ন ব্যয় করার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে আহ্বান জানালে জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব জানান, অভিযোজিত কৌশলগুলির জন্য প্রস্তাবিত জলবায়ু তহবিলের ৫০ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার জন্য তিনি দাতাদের বলবেন। তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের বিশাল অভিযোজন প্রচেষ্টা এবং নদী পরিচালনার লক্ষণীয় প্রচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।

অন্যান্য বিষয়গুলোর মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুগপৎভাবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং মহাসচিবের পুননির্বাচন ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা করেন।

ভার্চ্যুয়াল এ বৈঠকে জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা উপস্থিত ছিলেন।

ওয়াই এ/এডিবি