ন্যাভিগেশন মেনু

চসিকের ভোট ২৭ জানুয়ারি


চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ভোটগ্রহণ আগামীকাল ২৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।

এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক আলোচনা সভায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। সম্পূর্ণ প্রস্তুতি শেষ। আমরা আশা করছি চট্টগ্রামে কাল (বুধবার) সুষ্ঠু, প্রতিযোগিতামূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য যা যা উদ্যোগ নেওয়া দরকার, তা নেওয়া হয়েছে।’

ইসি সচিব বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। যাতে ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে আসতে পারেন, ভোট দিতে পারেন। কেউ যেনো তাদের বাধা না দেয়। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাখা হয়েছে। তারা দায়িত্ব পালন করবে। লেভেল প্লেয়িংফিল্ড এটাই। সবার জন্য সমান সুযোগ।’

চট্টগ্রামে ১০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। প্রতি দুই ওয়ার্ডের জন্য একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন।

চসিক নির্বাচনে সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘সেটা তো সবসময়ই থাকে। গোয়েন্দা বিভাগ থেকে আমাদের জানানো হয় কোন কোন কেন্দ্রগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। রিটার্নিং কর্মকর্তা যখন তালিকা দেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসন তারা সেই অনুযায়ী সেসব কেন্দ্রে বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করেন। যেগুলো সাধারণ কেন্দ্র সেখানে ১৬ জন করে দায়িত্ব পালন করবে। যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ সেখানে ১৮ জন করে থাকবেন এবং সেখানে অস্ত্র বেশি থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনেকরি, যতো রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তার সবটুকুই সেখানে নেওয়া হয়েছে। যারা ওই এলাকার ভোটার না বা ভোটকেন্দ্রে এসে গণ্ডগোল করতে পারে - এ ধরনের কাজ যাতে না করতে পারে এজন্য শহরে প্রবেশের যে পথগুলো আছে সেখানে পুলিশি পাহারা থাকবে। যাতে ভোটার ছাড়া অন্য কোনো লোক ভোটকেন্দ্রে এসে গণ্ডগোল না করতে পারে বা ভোটকেন্দ্রের বাইরেও যাতে কোনোরকম আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে বিঘ্ন সৃষ্টি না করতে পারে। আমরা মনে করি, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে করার জন্য যা যা করা দরকার, সেই ব্যবস্থা নির্বাচন কমিশন করেছে।’

চসিকে এবার ভোটার সংখ্যা ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। নির্বাচনে নগরীর ৭৩৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ করা হবে। এর মধ্যে ৪২৯ কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ইতোমধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করছে পুলিশ।

চসিক নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ জন এবং কাউন্সিলর পদে ২২৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. রেজাউল করিম চৌধুরী এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন শাহাদাত হোসেন।

এস এ/এডিবি