NAVIGATION MENU

কুষ্টিয়ায় শুরু হচ্ছে ৩ দিনব্যাপী লালন স্মরণোৎসব


কুষ্টিয়া থেকে সংবাদদাতা: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা ও লালন একাডেমির আয়োজনে ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি’ এই মর্মবাণী ধারণ করে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় শুরু হচ্ছে বাউল সাধক ফকির লালন শাহ স্মরণে তিনদিনের দোল পুর্ণিমা স্মরণোৎসব।

রবিবার (৮ মার্চ) থেকে এই উৎসব শুরু হয়ে চলবে মঙ্গলবার পর্যন্ত।

রবিবার সন্ধ্যায় লালন মুক্তমঞ্চে আনুষ্ঠানিকভাবে এ আয়োজনের উদ্বোধন করবেন সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি।

ইতোমধ্যেই আখড়াবাড়িতে এসে ঠাঁই নিয়েছেন লালন ভক্ত, অনুসারীরা।

জীবদ্দশায় বাউল শিরোমনি লালন শাহ দোল পূর্ণিমার রাতে শিষ্যদের নিয়ে বসতেন সাধুসংঘে। এরই ধারাবাহিকতায় সাঁইজির তিরোধানের পরও কালীগঙ্গার ধারে প্রতিবছর দিবসটি ঘিরে পালিত হয় এ উৎসব।

ব্যক্তি লালনের জাত-পাতের পরিচয় নিয়ে নানা মতভেদ থাকলেও আধ্যাত্মিক সাধক লালন শাহ সবকিছুর ঊর্ধ্বে উঠেছেন তাঁর মানব দর্শনালোকের দ্যুতি ছড়িয়ে। নানা প্রতিকূলতায় বেড়ে ওঠা লালন তাঁর গুরু সিরাজ সাঁইয়ের কাছ থেকে এই ফকিরি দর্শন গ্রহণ করেন। ফকির লালনের সাধন ভজনের তীর্থস্থান হিসেবে ছেঁউড়িয়া গ্রামের আখড়াবাড়ির বিষয়ে কোনো দ্বিমত নেই।

ভক্ত, আশেকান, অনুসারী ও শিষ্যদের মতে, লালন তরুণ বয়সে রোগাক্রান্ত ও অচেতন অবস্থায় ছেঁউড়িয়া গ্রামের কালীগঙ্গার পূর্বপাশের তীরে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় মলম ফকিরের স্ত্রী মতিজান গ্রামের অন্যদের সাহায্যে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। বাড়িতে এনে অসুস্থ্য লালনকে সেবা যত্ন করে সুস্থ করে তোলেন। এভাবে সান্নিধ্য লাভের মধ্য দিয়ে মতিজানের স্বামী মলম কবিরাজ নিজেও লালন সাঁইয়ের অনুসারী হয়ে উঠেন।

সিবি/এডিবি