ন্যাভিগেশন মেনু

ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ


আসন্ন পবিত্র ঈদ উল ফিতরে ছুটি বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

সোমবার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে টঙ্গীর নিশাতনগর, বিশ্বাসপাড়া ও মিলগেট এলাকায় শ্রমিকেরা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।

এ সময় বিক্ষোভ চলাকালে আহত হয়েছেন হামীম গ্রুপের বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এ ঘটনায় ১০ জন শ্রমিক ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন।

আহতরা হলেন- মিজানুর রহমন (২২), মামুন মিয়া (২৫), রনি ইসলাম (২৪), জাহিদ হোসেন (২৬), সোহেল রানা (২২), রুবেল মিয়া (২২), রুবেল হোসেন (২৪), হাসান (২৬) , ইমরান হোসেন (১৯), কাঞ্চন (৫০) ।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদশর্ক মো. বাচ্চু মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আহতরা জানান, সাধারণত ঈদের ছুটির দু’তিনদিন আগেই ছুটির নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়। তবে এবার তাদের কারখানায় কবে থেকে কতোদিন ছুটি দেওয়া হবে সে বিষয়ে এখনো কোনো নোটিশ টাঙানো হয়নি। এজন্য শ্রমিকরা সকালে কারখানায় গেলেও সাড়ে ১০টার দিকে কাজ বন্ধ করে কারখানার নিচেই অবস্থান নেন। 

এ সময় মালিকপক্ষ ৭ দিনের ছুটির ঘোষণা করলেও শ্রমিকরা ১০ দিনের ছুটির দাবি জানান। দাবি না মানায় কারখানার নিচেই অবস্থান করে আন্দোলন করছিলেন তারা। পরে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ গেটের সামনে শটগানের গুলি চালায়। এতে অর্ধশত শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন আন্দোলনরতরা।

অন্যদিকে, শিল্প পুলিশ ও কারখানা সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে উপজেলার বিশ্বাসপাড়া এলাকার স্টার লিংক ডিজাইন লিমিটেড নামে পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা কাজে যোগ দিয়ে জানতে পারেন, তাদের ঈদের ছুটি মাত্র তিন দিন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যায়। পরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করে কারখানার সামনে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবস্থান করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক পাশে নিয়ে যায়। সেখানেও পুলিশের সামনেই শ্রমিকেরা ছুটি বাড়ানোর দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, তিনদিনের ছুটি কোনো কাজেই আসবে না। তাদের কমপক্ষে ১২ দিনের ছুটি দিতে হবে। ছুটি বৃদ্ধি না করা হলে আন্দোলন চলবে।

এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের পরিদর্শক কমর উদ্দিন বলেন, কারখানার শ্রমিকেরা প্রথমে ১০ দিনের ছুটি চেয়েছিলেন। সেটি নিয়ে মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ১০ দিনের ছুটি মঞ্জুর করা হয়েছে। এখন শ্রমিকেরা আরও বেশি ছুটির দাবি করছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কারখানা এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এস এ/এডিবি/